বান্দরবানের রুমা উপজেলার মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ের অরণ্যে সেপ্রুঝিড়ি এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের একটি গোপন আস্তানা গতকাল সোমবার যৌথবাহিনী ধ্বংস করেছে। আস্তানা থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহূত অস্ত্রশস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
যৌথবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বান্দরবান এবং রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে যৌথবাহিনী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গোপন আস্তানা ছেড়ে পাহাড়ের অরণ্যে পালিয়ে গেছে। পাহাড়ের অরণ্যে আরো কয়েকটি সন্ত্রাসী আস্তানা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আস্তানাগুলোর খোঁজে যৌথবাহিনী সেপ্রুঝিড়িসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। চট্টগ্রামে র্যাব-৭ সিও লে: কর্নেল মিফতা উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, পাহাড়ের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলো এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র কিনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছে। ভারত, মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ– তিন দেশের একটি সীমানা পিলার রয়েছে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার তিনমুখ পাহাড়ে। অরক্ষিত সীমান্ত পথটি ব্যবহার করে অস্ত্র-মাদক চোরাচালানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ক্রেতা সেজে র্যাব অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে অস্ত্র-গুলি’সহ আটক করেছে।