মেলান্দহে কিশোরের লাশ উদ্ধার, আটক ১

জামালপুরের মেলান্দহে কিশোর হাবিবুর রহমানে (১৫)’র গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-ইউএনও জন কেনেডি জাম্বিল এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মামাভাগিনা গ্রাম থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। এ ঘটনায় ওই গ্রামের শাহিনের ছেলে পারভেজ (২২)কে আটক করেছে পুলিশ। পারভেজ-হাবিবুর প্রতিবেশি বন্ধু।
 
নিহতের স্বজনরা জানায়, ২অক্টোবর আ. হাকিমের ছেলে নিহত হাবিবুর রহমানকে রাত ৯-১০টার দিকে মোবাইলে ডেকে মেলান্দহ রেলস্টেশনে নেন পারভেজ। হাবিবুরকে দিয়ে ঘাম জাতীয় নেশা কিনে পারভেজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে হাবিবুরকে নেশা খাইয়ে অচেতন করেন। পরে তাকে হত্যা করেন। হাবিবুরের লাশ কাপড় দিয়ে মুড়ে পারভেজের ঘরে একদিন-এক রাত বিছানায় বালিশ আকৃতিক করে লুকিয়ে রাখেন। পরের রাতে হাবিবুরের লাশ পারভেজের বাড়ির সামনে পুঁতে রাখেন। পারভেজের বাবা শাহীন ইউপি চেয়ারম্যানের দেহরক্ষি বলে জানা গেছে।
 
অফিসার ইনচার্জ ওসি নাছিমুল ইসলাম জানান- হাবিবুরের আত্মীয়রা খুঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ঘটনার তৃতীয় দিনে মেলান্দহ থানায় জিডি করে। জিডির পর পারভেজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়।
 
পুলিশি তদন্ত শেষে ২০ অক্টোবর দিবাগত রাত ৯টার দিকে সন্দেহভাজন পারভেজ ও ফরিদুলকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে পারভেজের জবানবন্দি অনুযায়ী ২২অক্টোবর রাত ১টার দিকে নিহত হাবিবুরের লাশ উদ্ধার করে জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়। হত্যার কারণ হিসেবে ওসি বলেন, 'পারভেজের সঙ্গে এক হিজড়ার প্রণয় ছিল। সেই হিজড়ার সঙ্গে হাবিবুরের সম্পৃক্ততার সন্দেহেই হাবিবুরকে হত্যা করা হয়।'