দেশদ্রোহী মামলা কাঁধে নিয়ে শহীদ জননী মৃত্যুবরণ করেছেন বলে মন্তব্য করলেন। এর চেয়ে বড় লজ্জার আর কিছু হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন। গত ১৭ অক্টোবর টরন্টোস্থ ড্যানফোর্থের মিজান কমপ্লেক্স মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন নবীর 'আমেরিকায় জাহানারা ইমামের শেষ দিনগুলি' গ্রন্থ নিয়ে এক মনোজ্ঞ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
কবি রফিক আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভার ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন বলেন, আজ বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শহীদ জননী জাহানারা ইমামের আন্দোলনেরই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে রিটন বলেন, দেশদ্রোহী মামলা কাঁধে নিয়ে শহীদ জননী মৃত্যুবরণ করেছেন। এর চেয়ে বড় লজ্জা আর কী হতে পারে?
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী, নিউ জার্সির কাউন্সিলার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ড. নূরুন নবী সম্পর্কে কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন নবী এই গ্রন্থ রচনা করে একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে সফল হয়েছেন।
ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন বলেন, আজ বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শহীদ জননী জাহানারা ইমামের আন্দোলনেরই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সহযোদ্ধা কবি রফিক আজাদ সভাপতির ভাষণে বলেন, ড. নবী আমার সহযোদ্ধা। আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে রফিক আজাদ ড. নূরুন নবীর কাছে ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন ড. নূরুন নবী একজন পূর্ণ মানুষ।
এ ছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা দিনু বিল্লাহ, কথাশিল্পী সালমা বাণী, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম তনয় সাইফ ইমাম জামী এবং গ্রন্থকার ড. নূরুন নবী। অনুষ্ঠানটি পরিচানা করেন দেলওয়ার এলাহী।