বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলারে গণ-ডাকাতি

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলারে গণ-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ উপকূলীয় ১ নম্বর ফেয়ারওয়ে বয়াসংলগ্ন সাগরে মাস্টার বাহিনী পরিচয়ে দস্যুরা এ গণ-ডাকাতি চালায়।
 
দস্যুরা দেড় শতাধিক জেলে ও কমপক্ষে ১০টি ট্রলারসহ প্রায় দুই কোটি টাকার মাছ ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে গেছে। বিকেল পাঁচটার দিকে ফিরে আসা জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
 
শরণখোলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মজিবর তালুকদার বলেন, ‘এ বছর কয়েক দফা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাগরে জাল ফেলতে পারেনি জেলেরা। এতে মহাজনরা চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। মৌসুমের শেষ মুহূর্তে এসে সাগরে কিছু মাছ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এ সময়ই শুরু হয়েছে দস্যুদের তাণ্ডব।’
 
দুবলার চর ফিশারমেন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন জানান, শুটকি পল্লিতে অবস্থানরত চট্টগ্রামের মিজান বহদ্দার ও মুজাহার বহদ্দারের ট্রলারের পাঁচজেলেকে নিয়ে গেছে দস্যুরা। ওই রাতে দস্যুরা কমপক্ষে ৫০ ট্রলারে গণ-ডাকাতি চালিয়েছে।
 
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তূষখালী এলাকার হালিম পেসকার জানান, তার এফবি মা-বাবার দোয়া ট্রলারের মাঝি মোজাম্মেল হোসেন এবং তার ভাই আলমগীর পেসকারের এফবি রুহুল আমীনের ট্রলারের মাঝি নজরুল ইসলামকে অপহৃত হয়েছেন। এসব ট্রলার থেকে দস্যুরা প্রায় তিন লাখ টাকার মাছ ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে গেছে।
 
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি সাগরে গণ-ডাকাতির খবর শুনেছেন।