'বৌদ্ধ পুরাকীর্তির নিদর্শন বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে'

'রামুর বৌদ্ধ ঐতিহ্যকে পর্যটনস্থান হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে পর্যটন সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করতে হবে বাংলাদেশকে। পর্যটক আকর্ষণের জন্য বৌদ্ধ পুরাকীর্তির নিদর্শনগুলোকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে। ইতিমধ্যে রামু বৌদ্ধ নিদর্শন সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়েছে।' বৃহস্পতিবার সকালে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা রামুর বৌদ্ধ নিদর্শন দেখে এসব কথা বলেন। 
বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননসহ ১০ দেশের পর্যটনমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সকাল সাড়ে ৭টায় রামুর উত্তর মিঠাছড়ি বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র ও একশ ফুট সিংহ শয্যা গৌতম বৌদ্ধ মুর্তি পরিদর্শনে যান। এ সময় একুশে পদকে ভূষিত উপ-সংঘরাজ পণ্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের, কক্সবাজার-৩ আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, ১০ পদাতিক ডিভিশন রামু সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সরওয়ার হাসান, ৫৬ ব্রিগেড কমন্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মঈনুদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, ইউএনও সেলিনা কাজী ও মিঠাছড়ি বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ভিক্ষু করুনাশ্রী থের অতিথিদের স্বাগত জানান। 
 
প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন, জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) মহাসচিব তালেব রাফাই, আফগানিস্তানের পর্যটনমন্ত্রী আবদুল বারী জাহিনী, ভূটানের পর্যটনমন্ত্রী লেউনফু নরবো ওয়াংচুক, কম্বোডিয়ার পর্যটন উপমন্ত্রী টপ সু পেক, চীনের জাতীয় পর্যটন কার্যালয়ের পরিচালক লি কুয়ানগো, ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক পরিচালক (এনই) শেরাভাট সঞ্জয়, ভিয়েতনামের পর্যটন করপোরেশনের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ট্রান ডিন থান, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত হরি কুমার শ্রেষ্ঠা, আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত আবদুর রহিম ওরাজ ও ভূটানের রাষ্ট্রদূত পেমা চোডেন।