সরাইলে ডাকাত-পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ, গ্রেফতার ৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ডাকাতদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের ধর্মতীর্থ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ অস্ত্রসহ ৪ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত প্রত্যেকেই আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য বলে জানা গেছে। 
 
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত পোনে ৯টার দিকে সরাইল-নাসিরনগর সড়কের ধর্মতীর্থ এলাকায় একদল ডাকাত যাত্রীবাহী পরিবহনে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় সড়কে টহলরত পুলিশ ডাকাতদের ধাওয়া করে। ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। ডাকাত পুলিশের মধ্যে আধা ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ হয়। ডাকাতদল ৭-৮ রাউন্ড গুলি ছুঁড়লে পুলিশ ছুঁড়ে ৬ রাউন্ড। এসময় পুলিশের এসআই আবদুল আলীম আহত হন। সড়কে চলাচলকারী পরিবহনের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ অস্ত্রসহ চার ডাকাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে আটককৃত ডাকাতদের গণপিটুনি দেয়। 
 
আটককৃত ডাকাতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ১টি বন্দুক, ২টি পাইপগান ও ৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে। 
 
গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলেন- কিশোরপঞ্জের ভৈরবপুর উত্তর পাড়ার মোবারক হোসেন (২৫), টিটু দাস (২৬), আশুগঞ্জের চরচারতলা গ্রামের সোহেল সরকার (২০) ও একই গ্রামের মধ্যপাড়ার অপু বিশ্বাস (২২)। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভৈরব, কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন থানায় অর্ধডজনেরও অধিক মামলা রয়েছে। শুধু টিটু দাসের বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা রয়েছে। তারা ৪জনই বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। 
 
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলী আরশাদ জানান, গ্রেফতারকৃত প্রত্যেকেই আন্তজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য ও একাধিক ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি।