‘টিকেট না পাওয়া নিয়ে এখন পর্যন্ত অনেক ফোন পেয়েছি’

গানের পাশাপাশি অভিনয়েও জনপ্রিয় তাহসান খান। সেই জনপ্রিয়তার সিঁড়ি বেয়ে এখন পর্যন্ত অসংখ্য নাটক জমা পড়েছে তার ক্যারিয়ারের ঝুলিতে। এবার প্রসঙ্গটা খানিকটা ভিন্ন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে প্রথম সিনেমা ‘যদি একদিন’। নামের আগে এখন ‘চিত্রনায়ক’ বিশেষণটিও জুড়েছে। সেই প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। লিখেছেন মোস্তফিজ মিঠু। ছবি তুলেছেন তন্ময় মির্জা

প্রথম সিনেমা মুক্তি পেল। শুরুতে আপনার ভালোলাগার বিষয়টি বলুন—

এটি স্বাভাবিকভাবে অন্যরকম এক ভালোলাগা। ভালোবাসার যেকোনো কাজে শুরুর অভিজ্ঞতা ভিন্ন থাকে। সিনেমা অভিজ্ঞতাটাও তেমন। দর্শকরা আমাকে ছোটপর্দায় দেখে অভ্যস্ত। বড়পর্দায় তাদের সামনে আসাটা চ্যালেঞ্জের ছিল।

 

বড়পর্দায় আপনাকে দেখার পর দর্শকদের সাড়া কেমন পাচ্ছেন?

প্রথমদিন থেকেই দর্শকদের যে সাড়া পাচ্ছি তা চিন্তা করতে পারিনি। টিকেট না পাওয়া নিয়ে অনেক ফোন এখন পর্যন্ত পেয়েছি। এছাড়াও  হলে গিয়ে দর্শকদের সাথে সিনেমাটি দেখার পর তাদের উচ্ছ্বাস দেখে আমি মুগ্ধ।

 

 গতানুগতিক গল্পের ভেতর থেকে দেশের সিনেমা এখন কিছুটা বেরিয়েছে। ‘যদি একদিন’-এর গল্প ও অন্যান্য প্রসঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত অভিমত কী?

সিনেমাটির গল্প থেকে শুরু করে পুরো সিনেমাটি দেখে দর্শকরা এমনকিছু হয়তো পাবে না যা একঘেঁয়ে লাগবে। তবুও একটি কাজ সবার একসাথে ভালো লাগবে না। এটা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু যে সাড়া পেয়েছি তাতে বেশিরভাগ দর্শকদের যে সিনেমাটি ভালো লেগেছে সেই বিশ্বাস আমি করি। পুরো টিমের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কারণ এটা একটা দলীয় কাজ। সবার সমান সাপোর্ট না থাকলে একটি সুন্দর কাজ করা সম্ভব হয় না।

 

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর সাথে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে

কিছু বলুন—

‘যদি একদিন’-এর কাজের মধ্য দিয়েই তার সাথে আমার পরিচয়। বেশ ভালো একজন সহ-অভিনেত্রী। কাজের জায়গাগুলোতে বোঝাপড়াটা ভালো ছিল।