জেএসসি পরীক্ষায় বাধা দেয়ায় শিক্ষককে কারাদণ্ড

জেএসসি পরীক্ষায় বাধা দেয়ার অভিযোগে শার্শা পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্র্যাম্যমান আদালত। শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের কাগমারী গ্রামের শমসের আলীর ছেলে। মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে।
 
শার্শা পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব আব্দুর রশিদ জানান, মঙ্গলবার আধা বেলা হরতালের কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সকালে পরীক্ষা গ্রহণের পরিবর্তে বেলা ২টার সময় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। সে মোতাবেক পরিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে এসে হল রুমে এবং  প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখে কেন্দ্র সচিবকে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষনিকভাবে কেন্দ্র সচিব উপজেলা পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও নির্বাহী অফিসারকে জানালে তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট লিটন আলীকে ঘটনা স্থলে পাঠান। 
 
এ সময় তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে পুলিশের সাহায্য নিয়ে হল রুমের তালা ভেঙ্গে দিলে পরীক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ করে।  ঘটনার পরপরই শার্শা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে আটক করে উপজেলা ভ্র্যাম্যমান আদালতে সোপার্দ করেন। ভ্র্যাম্যমান আদালতে প্রধান শিক্ষক তার দোষ স্বীকার করলে তাকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট লিটন আলী ১৯৮০এর ১১ ধারা লংঘন করার অপরাধে এ শিক্ষককে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় প্রদান করে জেলহাজতে পাঠান। 
 
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ঘটনার সত্যতা   স্বীকার করেছেন। 
 
এদিকে পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন রাখার অপরাধে বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বরত আবু সাদেক নামের এক শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়েছেন ভ্র্যাম্যমান আদালত। আবু সাদেক বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।