নেইমার-সুয়ারেজে বার্সার জয়

 
মেসিবিহীন বার্সেলোনাকে জয় এনে দিয়েছে নেইমার ও সুয়ারেজ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বাতে বরিসভকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে লুইস এনরিকের দল।
 
বুধবার বুধবার রাতের বার্সেলোনার মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে জ্বলে ওঠেন নেইমার-সুয়ারেস। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বার্সেলোনা। নেইমার বল বাড়িয়েছিলেন ডি-বক্সে। সুয়ারেস বুক দিয়ে বল নামালেও ঠিকমতো শট নিতে পারেননি।
 
সপ্তম মিনিটে নেইমারকে ফাউল করা হলে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক পায় বার্সেলোনা। নেইমার নিজেই ফ্রি-কিকটা নিলেও বল চলে যায় বার উঁচিয়ে।
 
১৫তম মিনিটে নেইমারের পা থেকে বল বিপদমুক্ত করেন গোলরক্ষক সের্গেই চেরনিক। দুই মিনিট পর ফ্রি-কিক থেকে জোরাল একটি শট ঠেকিয়ে বার্সেলোনাকে রক্ষা করেন টের স্টেগেন।
 
২৩তম মিনিটে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেইমারের শট ঠেকাতে তেমন সমস্যা হয়নি চেরনিকের। তবে ম্যাচের ঠিক আধ ঘণ্টার মাথায় নেইমারের স্পট কিক ঠেকাতে পারেননি তিনি।
 
রাকিতিচের বদলি হিসেবে খেলতে নামা মুনির এল হাদ্দাদিকে ডি-বক্সের মধ্যে ফাউল করা হলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। পেনাল্টি নিয়ে নেইমার দৌড়ে না এসে কেবল এক পা এগিয়ে শট নিয়ে গোলরক্ষককে বোকা বানান। বার্সার ঝুলিতে একটি গোল ভরেন নেইমার।
 
IMG0
 
পাঁচ মিনিট পরই আবারো গোলের সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। নেইমারের বাড়ানো বলে পা লাগিয়েছিলেন আদ্রিয়ানো। তবে বল লাগে বাইরের পোস্টে।
 
৫১তম মিনিটে সুয়ারের শট ঠেকিয়ে বরিসভকে বাঁচান গোলরক্ষক। সাত মিনিট পর মুনিরের আচমকা শটেও বল জমা পড়ে তার গ্লাভসে।
 
৬০তম মিনিটে অবশেষে ব্যবধান বাড়াতে পারে স্বাগতিকরা। নেইমার বাঁ দিক থেকে নিচু ক্রস দিয়েছিলেন। দারুণভাবে বল থামিয়ে এক ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন সুয়ারেজ।
 
পেনাল্টি বক্সের ভেতর থেকে ৬৭তম মিনিটে নেইমারের জোরাল শট কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন চেরনিক। তবে ৮৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন নেইমার। অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে ডি-বক্সে একেবারে সঠিক জায়গায় বল বাড়িয়েছিলেন সুয়ারেজ। বল পেয়ে হালকা টোকায় প্রতিপক্ষের জালে বল জান নেইমার।
 
এই জয়ে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পাওয়া বার্সেলোনার ‘ই’ গ্রুপ থেকে নক আউট পর্বে ওঠা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল। গ্রুপের অন্য ম্যাচে বায়ার লেভারকুজেনকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে রোমা।