হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বালিকান্দি গ্রামের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র লায়েছ চৌধুরীকে খুনের ঘটনায় ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে লায়েছের মা জাসমিন আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। প্রসঙ্গত, শনিবার ঘটনার পর আটক রিপনের ভাবী পারভীন আক্তারকে রবিবার জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনিও ওই মামলার আসামি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন জানান, আাসামিদের গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, লায়েছ চৌধুরীর সঙ্গে প্রায়ই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির মারাজ মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার (২২) ঝগড়া হত। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবারও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে বাড়ির লোকজন তাদের এ বিরোধ মিটিয়ে দেয়। ঘটনার দিন শনিবার বিকেলে তারা একসঙ্গে খেলাধুলা শেষে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় লায়েছকে আটক করে রিপন মিয়া তার মোবাইল ফোনটি নেয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে লায়েছকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করতে থাকে রিপন। এতে ঘটনাস্থলে লায়েছের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার কর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। শনিবার তার লাশ দাফন করা হয়েছে।