সিলেটে শিশু রাজন হত্যা মামলার রায় হলেও সেই নির্যাতনের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে তা জানতে চান রাজনের গ্রাম বাদে আলীর তথা সিলেটবাসী। তারা জানতে চান বড় অংকের টাকার বিনিময়ে মামলাটি ধামাচাপা ও প্রধান আসামি কামরুলকে পালিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা ও মূল হত্যাকারীদের আড়ালের চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে কেন শাস্থিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না? সিলেটের অনেকেই বলেছেন, জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি হবে। পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
জানা যায়, অভিযুক্ত ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। অভিযুক্তরা হচ্ছেন: জালালাবাদ থানার তত্কালীন ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন, সেকেন্ড অফিসার এসআই জাকির হোসেন ও এসআই আমিনুল ইসলাম। ঘটনার ৪ মাস পরও অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া সম্পর্কে এসএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রোকন উদ্দিন ‘ইত্তেফাক’কে বলেন, তদন্ত কাজ চলছে। প্রমাণিত হলে বিভাগীয়ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশে-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী শিশু রাজন হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা, ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে মূল ঘাতক কামরুলকে সৌদি আরবে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা, নিরপরাধ লোকজনকে আসামি করে দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা, হত্যাকাণ্ডের পর পরই ঘাতক চিহ্নিত হলেও মাত্র ২ জনকে আসামি করে পুলিশের মামলা দায়ের, নিহত রাজনের পিতার অভিযোগ আমলে না নেয়া ইত্যাদি অভিযোগ ওঠে ঐ ৩ পুলিশের বিরুদ্ধে।