টি-টোয়েন্ট ফরম্যাটে ১৩৫ রানের টার্গেট বেশ কম। কিন্তু সেই টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে বেশ বিপদে পড়েছে জিম্বাবুয়ে। ১১ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৫৯।
আল আমিন হোসেনের জোড়া আঘাতে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজাকে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসবন্দি করার পর শন উইলিয়ামসকে বোল্ড করেন আল আমিন। তার হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেন ক্রেইগ আরভিন। এরপর বোলিংয়ে এসেই আঘাত হানেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার দ্বিতীয় বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সাব্বির রহমানকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন রেগিস চাকাভা। এরপর কিছু সময় জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ক্রেগ আরভিন। সর্বশেষ আরাফাত সানির বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক চিগাম্বুরা।
রবিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৩৫ রান করে বাংলাদেশ। চার বছর পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা ইমরুল কায়েসের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে ভালো সূচনা এনে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। তাদের ৩.৪ ওভার স্থায়ী ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে।
নেভিল মাডজিভার বল উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে এল্টন চিগুম্বুরার ক্যাচে পরিণত হন তামিম। ১৫ বলে খেলা তার ২১ রানের ইনিংসটি গড়া দুটি ছক্কা ও একটি চারে। পরের ওভারেই ফিরে যান ইমরুল। নিজের প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন বাঁহাতি স্পিনার টেন্ডাই চিশোরো। তার বলে শন উইলিয়ামসের তালুবন্দি হন ইমরুল।
আগের ম্যাচে ৩ উইকেট নেওয়া গ্রায়েম ক্রেমার বোলিংয়ে এসেই সাফল্য পান। এই লেগ স্পিনারের বলে সুইপ করে সীমানায় উইলিয়ামসের হাতে ধরা পড়েন মুশফিকুর রহিম। পঞ্চম উইকেটে এনামুল হকের সঙ্গে ৩৯ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান সাব্বির রহমান। ক্রেমারের বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি।
দলের বিপদ বাড়িয়ে একই ওভারে ফিরে যান নাসির হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ। টিনাশে পানিয়াঙ্গারার স্লোয়ার বলে ব্যাটের কানায় লেগে বোল্ড হন নাসির। দুটি চার হাঁকানো মাহমুদউল্লাহ ফিরে যান লুক জংউইর অসাধারণ এক ক্যাচে পরিণত হয়ে।
আগের ম্যাচে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয় এনে দেওয়া মাশরাফি বিন মুর্তজা এবার ফিরেন শূন্য রানে। মাডজিভার বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের অধিনায়ক। জুবায়ের হোসেনের বদলে দলে ফেরা আরাফাত সানিও।
প্রথম ম্যাচে রান আউট হওয়া এনামুল আবারও ফিরেছেন রান আউট হয়ে। চতুর্থ ওভারে ক্রিজে আসা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান শেষ ওভারে বিদায় নেওয়ার আগে করেন ৪৭ রান।
২০ রানে ৩ উইকটে নিয়ে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলার পানিয়াঙ্গারা। এ ছাড়া ক্রেমার ও মাডজিভা দুটি করে উইকেট নেন।