গৃহবধূকে কুপিয়ে হাত-পা ভেঙে দিল চেয়ারম্যান ও সহযোগীরা

সিংড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীদের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখমের পর প্রকাশ্যে ওই নারীর হাত-পা ভেঙে দিয়েছেন সুলতান আহমেদ ওরফে বাবা সুলতান নামে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীরা। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ফজিলা বেগম এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। নাটোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই চেয়ারম্যানসহ মোট নয়জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হাতেম আলী। এরআগে গতকাল স্থানীয় থানাও মামলা হয়েছে।

 
নির্যাতিতা ফজিলা বেগম ও তার স্বামী বাবলু মিয়া এবং এলাকাবাসী জানান, গত রবিবার দুপুরে উপজেলার বনকুড়ি গ্রামে বনকুড়ি মসজিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা খাস জলাশয়ের মাছ ধরতে যায় রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান ও তার সহযোগীরা। এ সময় এলাকার নারী-পুরুষ সকলে বাধা দেয়। সুলতান চেয়ারম্যান পিস্তল বের করে গুলি করার হুমকি দিয়ে সেখান থেকে সবাইকে তাড়িয়ে দেন। একপর্যায়ে পিছেয় পড়া ফজিলা বেগমকে (৩৮) ধরে টেনে-হিঁচড়ে বনকুড়ি ব্রিজে নিয়ে যান। পরে তিনিসহ তার সহযোগীরা মাথায় রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে বাম পা ও হাত ভেঙে দেয়।
 
সিংড়া থানার ওসি নাসির উদ্দিন মণ্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।