জেনেভায় সংখ্যালঘুবিষয়ক সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

 
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘের অষ্টম সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে ইউরোপিয়ান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ অংশগ্রহণ করেছে।
 
সম্প্রতি অনুষ্টিত জাতিসংঘের এ সম্মেলনে বিশ্বের ৪৮টি দেশের ১৬৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
 
হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট যোয়াসিম রুকার এবং ডেপুটি হাই কমিশনার মিসেস ফ্লাভিয়া পানসেরির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশের সংখ্যালঘুদের অবস্থান তুলে ধরেন।
 
সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে ইউরোপিয়ান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অমরেন্দ্র রায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষায় কোন সরকারই সক্রিয় ভূমিকা রাখেনি। ১৯৪৭ সাল থেকেই সংখ্যালঘুরা কখনো দলবদ্ধ, কখনো এককভাবে নিজেদের রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃ্ত্বে ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশের সূচনা হলেও ৭৫ এর পরবর্তী সব সরকারের সময়েই বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হয়ে আসছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
 
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের রক্ষায় জাতিসংঘের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়।
 
সম্মেলনে সুইজারল্যান্ড হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন বড়ুয়াও সংখ্যালঘুদের ওপর একটি প্রতিবেদন জমা দেন।
 
এদিকে সম্মেলন চলাকালীন বাংলাদেশ মাইনরটি কাউন্সিলের সভাপতি অরুন বড়ুয়ার নেতৃত্বে ফরিদপুর ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলোক সেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, শত্রু সম্পত্তি আইন বাতিল এবং সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও উপজাতিদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
 
সম্মেলনে এশিয়া অঞ্চল থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান, ফিলিপাইন অংশগ্রহণ করে।