বাণিজ্যিকভাবে বেদানা চাষ হচ্ছে শার্শায়

সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শার নাভারন কুলপালা গ্রামে বাণিজ্যিকভিত্তিতে শুরু হয়েছে বেদানা চাষ। দেশীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় সৌখিন চাষী জাহাঙ্গীর দুই বিঘা জমিতে বেদানা চারা লাগিয়েছেন। নিজে সফলতা অর্জনের পর বেদানা চাষের প্রসারে গাছের চারা ও কলম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কৃষি বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, বাংলাদেশের আবহাওয়াতে বেদানা চাষ সম্ভব।

 
দিনাজপুর থেকে চারা সংগ্রহ করে জাহাঙ্গীর আলম ২০১৩ সালে ২ বিঘা জমিতে ২৭৭টি  চারা রোপণ করেন। প্রতিটি চারা ১২০ টাকা দরে ক্রয় করেন তিনি। বেদানা গাছে ফুল ও ফল ধরেছে প্রচুর। দেখলে চোখ ফেরানো ভার।  বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এ গাছের চারা রোপণ করতে হয়। চারা রোপণের দেড় থেকে দু’ বছর পর বেদানার ফলন আসতে শুরু হয়। প্রায়  ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার।
 
একেকটি বেদানা গাছ ৬/৭ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। চলতি মৌসুমে বিপুল পরিমাণ ফুল ও ফল ধরেছে। দুই জাতের ফল এসেছে। একটি হালকা সবুজ, অন্যটি গাঢ় লাল।
 

বেদানা চাষের প্রসার বাড়াতে এ বছর বেদানা গাছের দেড় হাজার গুটি কলম ২ লাখ টাকায় বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাহাঙ্গীর। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাণিজ্যিকভাবে বেদানা চাষ বৃদ্ধি করে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব বলে জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিরক কুমার সরকার।