‘বাবা সবশেষ ভোট দিয়েছেন, এবার আমরা দিব’

২৮ বছর পর আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু)। এ নির্বাচনে অনেক প্রার্থীকেই শিক্ষার্থীরা আগে থেকে চিনতেন না। তফসিল ঘোষণার পর অনেকের নাম ও ছবি পরিচিত হলেও কোন প্রার্থী কেমন তা যাচাই করতে পারছেন না তারা। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক এবং সে নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী জয়ী হউক- তা প্রত্যাশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। ভোট ঘিরে একদিকে উত্সবের আবহ এবং অন্যদিকে শঙ্কার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। খবর বিবিসি বাংলার। বিবিসি বাংলার গতকাল সোমবারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা শুধু ডাকসুর নাম শুনেছেন। কিন্তু সেটা কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে কোন ধারণা নেই - তাই ভোট দেয়ার আগ্রহ কম বলে জানিয়েছেন। অনেকে আবার নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা সেটা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

একজন বলছিলেন, “আমি ডাকসু সম্পর্কে খুব বেশি জানি না, কারা প্রার্থী তাও জানি না। তাই আন্দাজে কাকে ভোট দেব?” “আমার বাবারা সবশেষ ভোট দিয়ে বের হয়ে গেছে, আর আমরা এসেই আবার এতদিন পর ভোট দিতে পারবো। সেটা নিয়ে একটা উত্তেজনা আছে। কিন্তু একটু ভয় আছে যে কিছু হয় কিনা,” বলেছেন আরেক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমার খুব একটা আগ্রহ নেই। তারপরেও আসবো। কারণ মনে হচ্ছে না সুষ্ঠু ভোট হবে। তিনি জানান, “সবার কাছ থেকে খবর নিয়ে তারপর আসবো। এখানে আসলাম লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলাম জানানো হয়েছে।

তারপর দেখলাম কোন লাভ হল না।” এমন ভাবে নিজেদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এক শিক্ষার্থী বলেন, “ডাকসুটা খুব প্রয়োজন আমাদের জন্য। প্রশাসনকে চাপের রাখার জন্য ডাকসুটা প্রয়োজন আমাদের।” আরেকজন বলেন, “এতদিন যখন বহিরাগত হিসেবে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতাম তখন দেখতাম বিভিন্ন দেয়ালে লেখা ডাকসু নির্বাচন চাই, ডাকসু নির্বাচন চাই। কিন্তু এখন আমরা সেই নির্বাচনে ভোট দিতে পারছি। অবশ্যই আমাদের অনেক আগ্রহের জায়গা।