ম্যাচের শেষ ওভার। জয়ের জন্য প্রয়োজন ১০ রান। বোলিংয়ে ঢাকার ফরহাদ রেজা। ব্যাট হাতে আফ্রিদি। ম্যাচে হারলে বিদায় নেবে সিলেট।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে প্রথম বলে এক রান নেন আফ্রিদি। দ্বিতীয় বলেই উইকেট পতন। ১ রানের ব্যবধানে সিলেটের হেরে যাওয়ার বাজে অভিজ্ঞতার কথাই হয়ত ভাবছিল সকলে। ৪ বলে দরকার ৯ রান। তৃতীয় বলে এক রান নেন সদ্য মাঠে নামা মুশফিক। শেষ তিন বলে প্রয়োজন ৮ রান। ম্যাচ নির্ধারণী এই মূহূর্তে জ্বলে উঠলেন শহীদ আফ্রিদি। পরপর দুই বলে ছক্কা হাকিয়ে এক বল হাতে রেখেই দলকে পৌছে দেন জয়ের লক্ষ্যে।
এর আগে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৭ রান তুলেছিল ঢাকা। ১ বল হাতে রেখেই সিলেট জয় পেয়েছে ৬ উইকেটে। নবম ম্যাচে তৃতীয় জয়ে সিলেটের পয়েন্ট ৬। সমান ম্যাচে পঞ্চম পরাজয়ে ঢাকার পয়েন্ট ৮। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক পর্বের শেষ দিনেই তাই হবে শেষ চারের ফয়সালা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে সিলেটকে। আর জিতলেই শেষ চার নিশ্চিত হবে ঢাকার।
এর আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ১০ ওভারে ধুঁকতে থাকা ঢাকার ইনিংসকে গতিময় করে তোলে সাঙ্গাকারা ও নাসিরের জুটি। চতুর্থ উইকেটে ৪৫ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়েন দুজন। জয়ের জন্য মরিয়া সিলেটের সঙ্গে শুরুতে ধুকতে থাকে ঢাকা। এ সময় ঢাকার ইনিংসকে কিছুটা এগিয়ে দেন ফরহাদ রেজা। অবশ্য স্কোর গড়ার মূল কাজটি করেন মিডেল অর্ডার জুটি সাঙ্গাকারা ও নাসির। চতুর্থ উইকেটে ৪৫ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়েন তারা। অন্যদিকে ঢাকার ইনিংসের শেষ সময়ে কার্যকর দুটি ছোটো ঝড়ো ইনিংস খেলেন ম্যালকম ওয়ালার ও মোসাদ্দেক হোসেন। শেষ ৪ ওভারে এই জুটি সংগ্রহ করে ৫৭ রান! কিন্তু তারপরও আফ্রিদির কাছে শেষ ওভারে হেরে যায় ঢাকা।