প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছার পরেই কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ড. শহিদুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। দুপুর থেকেই তার মুক্তির জন্য কারাগারে সামনে অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ, স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও আইনজীবীরা। কিন্তু জামিননামায় ঠিকানা ভুল থাকায় তার মুক্তি বিলম্বিত হয়। পরে ওই জামিননামায় ঠিকানা সংশোধন হয়ে পুনরায় কারাগারে যাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেয়া হয়। গ্রেফতারের তিন মাস পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে মুক্তি পেলেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, শহিদুল আলমের যে জামিনের কাগজ আমাদের কাছে দেয়া হয়েছিল তার ঠিকানার সাথে জেলখানায় থাকা ঠিকানার কোনো মিল নেই। এজন্য আমরা সংশ্লিষ্ট আদালতে তা সংশোধনের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। সেই জামিননামায় ঠিকানা সংশোধন হয়ে আসার পরই রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গত ৫ আগস্ট গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যান ড. শহিদুল। নিম্ন আদালত তার জামিন না-মঞ্জুর করে। পরে গত ১৫ নভেম্বর শহিদুল আলমকে জামিন দেয় হাইকোর্ট। ওই জামিননামা গতকাল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে দাখিল করা হয়। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিননামা গ্রহণ করেন। পরে জামিননামা কারাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু জামিননামায় ড. শহিদুল আলমের ঠিকানা ভুল থাকায় কারা কর্তৃপক্ষ বিকালে তা আদালতে ফেরত পাঠায়। পরে তা সংশোধনের জন্য আদালতে আবেদন করেন শহিদুলের আইনজীবীরা। এরপর তা সংশোধন হয়ে বিকালে আদালত থেকে পুনরায় কারাগারে যায়।