‘মালয়েশিয়ান দর্শক আমাকে হ্যারিস বলে ডাকতে শুরু করে’

চিত্রনায়ক নিরব হোসেন। দেশের চলচ্চিত্রের পাশাপাশি দেশের বাইরেও অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় এই নায়ক। সম্প্রতি মালয়েশিয়াতে মুক্তি পায় নিরব অভিনীত ‘বাংলাশিয়া’। ছবিটি মুক্তি উপলক্ষে সেখানে বেশ কয়েকদিন থাকার পর সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা ও দেশে বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন নাজমুল হাসান

সম্প্রতি ‘বাংলাশিয়া’ মুক্তিতে মালয়েশিয়া ঘুরে এলেন। ছবিটির সাথে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে শুরুতে জানতে চাই—

মূলত মালয়েশিয়ান ফিল্ম এর একটা এজেন্সি তাদের সিনেমার জন্য আমাদের দেশের একটি  এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করে। তারপর তারা আমাকে পছন্দ করার পর যোগাযোগটা শুরু হয়। সেখান থেকে ছবিটির সাথে যাত্রা শুরু হয়।

 

ছবিটি নিষিদ্ধও ঘোষণা করা হয়। এর কারণটা কী ছিল?

মালয়েশিয়ান সরকারের রাজনীতি বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার কারণে ছবিটি রিলিজ পায়নি,  সরকারি কর্মকাণ্ডের নানা বিতর্কিত ফুটেজ থাকায় সিনেমাটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিলো। সিনেমার প্রায় ৩১টি দৃশ্য কেটে ফেলতে বলা হয়, এরপর ৭ টি সিন ঠিক করে, অবশেষে মালয়েশিয়ার ২৯ টি সিনেমা হলে বাংলাশিয়ার মোড়ক উন্মোচন হয়।

 

‘বাংলাশিয়া’ ছবিটি মুক্তি পরের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

ছবিটি হল থেকে দেশের যখন বের হয়েছি তখন মালয়েশিয়ান দর্শক আমাকে হ্যারিস বলে ডাকতে শুরু করে, কারণ ছবিটির তে আমার নাম থাকে হ্যারিস। সেখানে আমাদের দেশের অনেক প্রবাসীদের সাথে দেখা হয়েছে যারা কাজ রেখে নিজের দেশের অভিনেতার সিনেমা দেখতে এসেছে। সব মিলিয়ে অনেক রোমাঞ্চকর অনুভূতি নিয়ে দিন পার হচ্ছে।

 

এবার দেশের ছবিতে ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—

দেশের বেশ কয়েকটি ছবি নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ততা চলছে। এরমধ্যে রয়েছে সাইফ চন্দনের ‘আব্বাস’ রফিক শিকদারের ‘হূদয়জুড়ে’, বন্ধন বিশ্বাসের ‘অফিসিয়ালি রিটার্ন’ আরিফুজ্জামান আরিফের ‘কাটগড়ায় শরত্চন্দ্র’ ও বুলবুল জিলানীর ‘রোদ্রুছায়া’

 

আপনার সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাকিব খান। ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ এই তারকার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার প্রসঙ্গটা নিয়ে জানতে চাই—

শাকিব ভাই আমাকে অনেক স্নেহ করেন। তার কাছ থেকে শুভেচ্ছা পাওয়াটা আনন্দের অনুভুতি। শুধু তাই নয় এটি আমার ক্যারিয়ারে একটি স্মরণীয় ঘটনা।

 

ছোটপর্দার অনেকেই এখন ঝুঁকি নিয়ে সিনেমাতে আসতে চাচ্ছেন, যা আপনি অনেক আগেই নিয়েছেন, সেই অভিজ্ঞতাটা কেমন ছিল?

এটা আসলে ঝুঁকি না। প্রতিটি কাজের একটা পরিধি রয়েছে, একটা  শেষ করে অন্যটিতে যেতে হয়। আমার কাছে মনে হয় সিনেমা অনেক বড় একটি জায়গা আমাদের দেশে এখন অনেক ভালো সিনেমা তৈরি হচ্ছে, নতুনদের বলতে চাই অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ নেওয়া শিখতে হবে এবং প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যেতে হবে।