যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গার্মেন্টস কারখানায় কমপক্ষে ত্রিশ লাখ শ্রমিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, রানা প্লাজা ধসে ১১শ’র বেশি শ্রমিক নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে শ্রমিকের কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যে কর্মসূচি নেয়া হয়, তার চার ভাগের তিন ভাগ কারখানাই সেই কর্মসূচির আওতার বাইরে রয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই ছোট কারখানা এবং এগুলো বড় বা নামী-দামী কারখানার জন্য কাজ করে থাকে। তবে গার্মেন্টস মালিকরা এমন বক্তব্য নাকচ করে বলেছেন, রপ্তানিকারক সব কারখানাই নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। -খবর বিবিসির। বাংলাদেশ সরকার বলেছে, ছোট কারখানাগুলোকেও নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্র্যান সেন্টার ফর বিজনেস এন্ড হিউম্যান রাইটস-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণাটি
গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান ছোট কিছু কারখানা থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি হচ্ছে বড় কারখানাগুলো এখন ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার কাছে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ দেয় না। তিনি আরও বলেছেন, ছোট কারখানাগুলো দেশের ভিতরে চাহিদা মেটানোর জন্য কাজ করে। রপ্তানিকারক না হওয়ায় তারা বিজিএমইএ’র সদস্যও হতে পারে না। শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব মিখাইল শিপার বলেছেন, কেরানীগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় ছোট কারখানা রয়েছে। এর সংখ্যা হাজারখানেক হবে। এসব কারখানাকেও দু’বছরের মধ্যে নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।