ওসমানীনগরের তাজপুর-কদমতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন থাকা হাসপাতাল সড়কে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। সড়কে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানা-খন্দ। তাজপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ও তাজপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় দুইটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন আসা অসংখ্য মানুষ এই সড়কে যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া এই সড়কে স্থানীয় পত্রিকার আঞ্চলিক অফিসসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার অফিস রয়েছে। বৃষ্টির মৌসুমে সড়কটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। ফলে চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হয় জনসাধারণকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক এবং তাজপুর-বালাগঞ্জ সড়কের মধ্যবর্তী এই সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ০.২৫ কিলোমিটারের বেশি নয়; কিন্তু কয়েক বছর পূর্বে সড়কটি পাকাকরণের পর অদ্যাবধি কোনো সংস্কার কাজ করা হয়নি। দীর্ঘদিন সংস্কারবিহীন থাকা সড়কটি বর্তমানে বেহাল। সম্প্রতি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সড়কটিতে চলাচলে সাধারণ বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। এবারের বর্ষা মৌসুমে সড়কটি যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়বে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তাজপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল খালিক বলেন, এই রাস্তাটি সব সময় ব্যস্ত থাকে। রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে। দির্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কারবিহীন থাকায় জনসাধারণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তাজপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার ডা. টোকন কুমার কর্মকার, ব্যবসায়ী অমলেন্দু পুরকায়স্থ অপু, জাহাঙ্গীর আলম ও সাদিকুর রহমান ছাদেক বলেন, এই এলাকার মধ্যে হাসপাতাল এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তাটির সংস্কার না হওয়ায় লোকজন প্রতিনিয়তই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মুহাম্মদ রুবাইয়াত জামান বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের বিষয়ে শিগগিরই একটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে।