জয়পুরহাটে লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষে

 

প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে জয়পুরহাট পৌরসভায় বিভিন্ন দলের ৭ মেয়র প্রার্থীসহ কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থীরা দিনরাত সমান তালে ভোটারদের মন জয় করার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

 

১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করা জয়পুরহাট প্রথম শ্রেণির পৌরসভার বর্তমান ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৪৬ হাজার ৪৯৩ জন। এ পৌরসভায় এবার ৭ জন মেয়র, ৬৫ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৮ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। এখানে মেয়র পদে লড়াই হবে মূলত নৌকা-ধানের শীষের প্রার্থীর মধ্যে। তারা হলেন- জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং জেলা বিএনপির সদস্য শামছুল হক। হলফ নামায় মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক নিজেকে স্বশিক্ষিত ও পেশায় একজন ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন। আর অধ্যক্ষ শামছুল হকের দাখিল করা হলফনামায় তিনি এমএসসি পাস ও পেশায় শিক্ষক উল্লেখ করেছেন। এ পৌরসভায় মেয়র পদে আরো যে পাঁচজন প্রার্থী রয়েছেন তারা হলেন- জেলা জাতীয় পাটির যুগ্ম আহ্বায়ক আ স ম মোক্তাদির তিতাস মোস্তফা, শহর জামায়াতের আমির হাসিবুল আলম লিটন (স্বতন্ত্র), জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদি, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আয়েজ উদ্দীন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার সাজ্জাদ আহমেদ।

 

আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, আগামী ৩০ তারিখের নির্বাচনে জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করে যাব।

 

বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ শামছুল হক বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমাকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।