সুন্দরবনের শরণখোলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক ‘বনদস্যু' সগীর মারা গেছেন। বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়।
র্যাব ৬ এর অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, সকালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বনদস্যু সগীরকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানিয়েছেন, সগীরের বুকে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়েছে।
র্যাব ৬ এর অধিনায়ক জানান, পানিরঘাট এলাকায় সগীর বাহিনীর সদস্যদের অবস্থানের খবর পেয়ে র্যাব সেখানে যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে র্যাবও পাল্টা ছোড়ে। একপর্যায়ে সগীর বাহিনীর সদস্যরা পিছু হটে। পরে সেখান থেকে সগীর ভাণ্ডারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।
আটক সগীর ভাণ্ডারীকে স্থানীয় বনদস্যু সগীর বাহিনীর প্রধান বলে জানিয়েছে র্যাব। সে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার আনোয়ার ভাণ্ডারীর ছেলে।
ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি বিভিন্নরকম অস্ত্র ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।