রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা
আগামী ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে রাণীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য আনোয়ার হোসেন। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল ইসলাম স্বতন্ত্র এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা আনোয়ার হোসেন হেলাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাই ভোটের মাঠে দুই আনোয়ারের যুদ্ধ জমে উঠলেও এ উপজেলায় লড়াই হবে ত্রিমুখী এমনটাই মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জনগণ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের চাওয়ার ভিত্তিতে এবং দল আমার সব কিছু যাচাই-বাছাই করে উন্নয়নের প্রতীক আমার হাতে দিয়েছে। আশা রাখি উপজেলাবাসী উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করবেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, দলের দুঃসময়ে আমার পরিবারই আওয়ামী লীগকে জিইয়ে রেখেছিল। এই দলের জন্যই আমার এক ভাই সর্বহারাদের হাতে নিহত হয়েছে। আমি দীর্ঘদিন যাবত্ উপজেলাবাসীর সেবা করেছি। পুনরায় উপজেলাবাসীর চাওয়ার ভিত্তিতেই আবার চেয়ারম্যান পদে ভোটের মাঠে নেমেছি। আমি আশাবাদী উপজেলাবাসীর জীবনমান আরো উন্নত করার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবেন।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল ইসলাম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে দীর্ঘদিন যাবত্ আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি। শুধু আমিই নই, আমার পুরো পরিবারই এই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমি গত সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন চেয়েছিলাম, কিন্তু দল আমাকে যোগ্য মনে করেনি। এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও দল আমাকে মনোনীত না করায় জনগণের চাওয়ার প্রেক্ষিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি। ভোট যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় জনগণ যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল বারী মোল্লা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নৌকার পক্ষে। আর কে নির্বাচন করছে আর করছে না, তা আমাদের দেখার বিষয় নয়। এতে নৌকার কোনো সমস্যা হবে না। উপজেলাবাসী অবশ্যই উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দেবে।