উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

চিরিরবন্দরে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা জমে উঠেছে

দিনাজপুর অফিস

মিনি ট্রাক ও রিকশায় পোস্টার লাগিয়ে চলছে মাইকিং। পরিচিত গানের সুরে চাওয়া হচ্ছে ভোট। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর পুরো এলাকার পাড়া-মহল্লা নির্বাচনী পোস্টারে পোস্টারে সয়লাব হয়ে গেছে। প্রার্থীদের প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা। নিজের পক্ষে ভোট চাইতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন প্রার্থীরা। নিজের পরিচিতি ও নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ভোটারদের কাছে বিতরণ করছেন লিফলেট। আগামী ১৮ মার্চ চিরিরবন্দর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় বইছে উত্সবের আমেজ। এসব এলাকার প্রতিটি অলিগলি প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের নিকট। ভোট চাওয়ার পাশাপাশি দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ আহসানুল হক মুকুল (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোঃ তারিকুল ইসলাম তারিক  (আনারস) প্রতীক নিয়ে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভাইস্ চেয়ারম্যান পদে মোঃ আজিমদ্দীন গোলাপ (টিয়াপাখী), মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (মাইক), মোঃ উমর ফারুক (উড়োজাহাজ), জ্যোতিষ চন্দ্র রায় (তালা), মোঃ শহীদুল ইসলাম (চশমা), মোঃ আবু সাঈদ কাজী (টিউবওয়েল) এবং সুমন দাস (বৈদ্যুতিক বাল্ব) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহিলা (সংরক্ষিত) ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তরুবালা রায় (কলস), মোছা. লায়লা বানু (প্রজাপতি) ও বেলী আরা (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা মোঃ সাবেরউদ্দিন এবং ওবায়দুর রহমান বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে তত প্রচারণা বাড়ছে। সারাদিন শুধু মাইক বাজে। প্রার্থীরা এসে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। আমরা সাধারণ ভোটাররা শুধু তাদের কথা শুনে যাচ্ছি। তবে আমাদের কাছে যাকে যোগ্য মনে হবে, যিনি এলাকার জন্য কাজ করবেন তাকেই ভোট দেবো। নির্বাচনে এলাকাবাসী যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নেবেন।