বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে কয়েদি কবির সিকদার মৃত্যুর ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী হনুফা বেগম। গতকাল সোমবার শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের হল রুমে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে হনুফা বেগম বলেন, পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার বাসিন্দা কবির সিকদার একটি মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ছিলেন। সে বরিশাল কারাগারে কাজ করতো। আমার বিশ্বাস সে (কবির) কখনও আত্মহত্যা করতে পারে না। মৃত্যুর কয়েকদিন আগেও তার সাথে দেখা করি এবং সে তার বড় মেয়েকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছে, কয়েকদিন পরে আসতেছি বাবা। সেই মানুষটা কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। তিনি দাবি করেন, তার স্বামীকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তার (কবির সিকদার) সাথে দেখা করতে এসে পাঁচবার টিকিট কেটেও তার দেখা পাইনি। কারা কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে কবিরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কখনও বলে টিকিট হারিয়ে গেছে।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, গত ১ মার্চ কারা ভবনের পরিত্যক্ত বন্ধ রান্নাঘরের আড়ার সাথে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন কবির সিকদার নামের ওই কয়েদী।