পৌরভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ বলা যাবে না : ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ

 
পৌরভোটে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ বিএনপি তুললেও সার্বিকভাবে এই নির্বাচনকে ‘ভালো’বলেছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ। জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘সার্বিকভাবে এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন বলা যাবে না।’
 
দলীয় প্রতীকে প্রথমবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা অধিকাংশ পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছে। বিএনপির ২২ জন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি বলছে, সরকার জনগণের রায়কে ‘ছিনতাই’ করে ‘নজিরবিহীন ত্রুটিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রহসন’ করেছে। প্রধান বিরোধী দল জাতীয়পার্টিও দেড়শ কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ করেছে। তবে ভোটের ফলে সন্তোষ জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
 
সংস্থার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে ওই সব এলাকায় ১২ শতাংশ কেন্দ্রে বিএনপির কোনো পোলিং এজেন্ট ছিল না। আর আওয়ামী লীগের পোলিং এজেন্ট ছিল না ২ শতাংশ কেন্দ্রে। ৯৯ শতাংশ কেন্দ্রে নির্বাচন সংক্রান্ত কাগজপত্র, কালি, পর্যাপ্ত নির্বাচন সংক্রান্ত লোকজন উপস্থিত ছিল, যা এক কথায় ভালো।
 
আবদুল আলীম বলেন, ভোটের সকালে ২২ শতাংশ ভোটার উপস্থিত থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার সংখ্যাও বাড়ে। দিন শেষে ৭২ শতাংশ ভোটার ভোট প্রয়োগ করেন। যেহেতু পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো পেয়েছেন এবং কেন্দ্রগুলোতে বিএনপির ৮৮ শতাংশ আর আওয়ামী লীগের ৯৮ শতাংশ পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন। তাই সার্বিকভাবে এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন বলা যাবে না।
 
ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পর্যবেক্ষকরা ৪২টি কেন্দ্রে ১০৩টি সংঘর্ষের খবর পাঠিয়েছেন। ১৯টি কেন্দ্রে থেকে ২৭ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্যও জানান তারা। বিএনপি ৬০টি কেন্দ্রে সংঘর্ষের কথা বলেছে, আর নির্বাচন কমিশন সংঘর্ষের কারণে ৫০টি কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত করেছে। সুতরাং তা বিএনপির দাবির কাছাকাছি।