শাহরুখ খান কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দলটি শুরু করেছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলিকে নিয়ে। তার ইচ্ছা ছিলো, একজন বাঙালি খেলোয়াড়ই হবেন এই দলের প্রতীক। গাঙ্গুলি-কেকেআর সম্পর্ক ভেঙে গেছে অনেক আগে। সেই জায়গায় এখন সাকিব আল হাসান হয়ে উঠেছেন কেকেআরের বাঙালি প্রতীক।
এই নিয়ে টানা ষষ্ঠবারের মতো কলকাতার হয়েই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলা নিশ্চিত হলো বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। শুক্রবার মূল তালিকায় সংযোজন বিয়োজন করার শেষ দিনে কেকেআর জানিয়ে দিলো, বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সাকিব, আন্দ্রে রাসেল, ব্র্যাড হজ, ক্রিস লিন, মরনে মরকেল ও সুনিল নারাইনকে ধরে রাখছে তারা। অন্য দিকে তারা বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছে প্যাট কামিন্স, রায়ান টেন ডশেট, জিমি নিশম, আজহার মেহমুদ ও ইয়োহান বোথাকে।
অবশ্যই তাত্পর্যপূর্ন ব্যাপার হলো, কেকেআরের আবার সাকিবকে ধরে রাখা। ২০১১ আইপিএলে কেকেআরের সঙ্গে সাকিবের সম্পর্কটা শুরু হয়। আইপিএলে সাধারণত কোনো দলের সাথে খেলোয়াড়ের চুক্তি হয় ৩ বছরের। এসময়ের মধ্যে দল ইচ্ছে করে ছেড়ে না দিলে ওই দলেই থাকেন একজন খেলোয়াড়। চুক্তির পুরো সময়টা সাকিবকে রেখে দিয়েছিল কলকাতা।
২০১৪ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষে ছেড়ে দিয়ে দিল্লির সঙ্গে তুমুল প্রতিযোগিতার পর আবারও ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে সাকিবকে দলে ভিড়িয়েছিল দুবারের আইপিএলজয়ী দলটি। তার ফলও তারা হাতেনাতেই পেয়েছিল। ওই মৌসুমে ১৩ ম্যাচে সাকিবের ৩২ দশমিক ৪২ গড়ে ২২৭ রান আর ৬ দশমিক ৬৮ গড়ে ১১ উইকেট কলকাতাকে দ্বিতীয় শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে।
২০১১ সালে সাকিব কলকাতায় যোগ দেওয়ার আগের তিন মৌসুমে কেকেআর কখনোই সেরা ছয়ের ওপর উঠতে পারেনি। আর সাকিব যোগ দেওয়ার পর ৫ মৌসুমে দুবার চ্যাম্পিয়ন, আর একবার সেমিফাইনাল খেলে কেকেআর।