মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও জাসদ নেতা কাজী আরেফ আহমেদসহ ৫ নেতা হত্যা মামলায় মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির ফাঁসি বৃহস্পতিবার রাতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দু’দফায় কার্যকর হওয়ার কথা। রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি হওয়ার কথা কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার রাজনগর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের পুত্র সাফায়েত হোসেন ওরফে হাবিব ওরফে হবি ও একই থানার কুরশা গ্রামের উম্মত ডাকাত ওরফে উম্মত মন্ডলের পুত্র আনোয়ার হোসেনের। রাত পৌনে ১২টায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা কুরশা গ্রামেরই মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. রাসেদুল ইসলাম ঝন্টু ওরফে আকবরের। রাতে এই রিপোর্ট লেখার সময় ফাঁসি কার্যকরকে সামনে রেখে যশোর শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গত দুই দিনে স্বজনরা ফাঁসির আসামিদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাত্ করেছেন।
সূত্র জানায়, ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সন্ত্রাসবিরোধী এক জনসভায় চরমপন্থি সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নির্মমভাবে নিহত হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আরেফ আহমেদ, কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ইয়াকুব আলী, স্থানীয় জাসদ নেতা ইসরাইল হোসেন ও সমশের মন্ডল। এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ফাঁসির রায় কার্যকর হতে যাচ্ছে।