নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌরসভার স্থগিত ১০ টি কেন্দ্রের পুনঃনির্বাচন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে আবারো একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। তাছাড়া জাল ভোট প্রদানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দুইজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।
চৌমুহনী পৌরসভায় ২০ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০ টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয় ৩০ ডিসেম্বর। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে স্থগিত ১০ টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রতি দুইটি কেন্দ্রে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ দল, নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি, বিজিবি, র্যাব ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ নিয়োজিত ছিল। এর ফলে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করে। তবে দক্ষিণ নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয় কেন্দ্রে একটি ব্যালট বই গড়মিলের কারণে নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহন স্থগিত ঘোষণা করে। এছাড়া উত্তর নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জালভোট প্রদানকালে মো. হানিফ ও ফখরুল ইসলাম নামে দুইজনকে কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নিকারুজ্জামান প্রত্যেককে ছয় মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর যে ১০ টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল তাতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আক্তার হোসেন ফয়সল প্রতিপক্ষ বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন হারুনের চেয়ে ১৫৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছে।