সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সোনালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ প্রধান শাখা থেকে ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা চুরির মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ওরফে হাবীব ওরফে ইউসুফ মুন্সিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো পাঁচ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ১নং বিচারিক আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হামিদুল ইসলাম দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তার বিরুদ্ধে এ রায় প্রদান করেন। সোহেল রানা পটুয়াখালি সদর উপজেলার গাবুয়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধের পর থেকে ২৬ জানুয়ারি রবিবার দুপুরের মধ্যে যে কোনো সময় সোনালী ব্যাংক থেকে মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে ভাড়া করা বাসার মেঝে থেকে ব্যাংকের স্ট্রংরুম পর্যন্ত মাটি খুঁড়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করে সোহেল রানা স্টিলের আলমারি ভেঙ্গে ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা চুরি করে। পরে ৩০ জানুয়ারি ঢাকার কদতলীর একটি বাসা থেকে র্যাব সোহেল রানাকে আটক তার কাছ থেকে ১৬ কোটি ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৩৮০ টাকা উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম মো. আমানউল্লাহ শেখ বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে র্যাবের এএসপি রাজীব কুমার দেব সোহেল রানা ছাড়াও তার ভাই ইদ্রিস মুন্সি, মামা শ্বশুর সিরাজউদ্দিন ভুঁইয়া ও কথিত প্রেমিকা আক্তার হিমার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট দাখিল করে।