বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ঢাকায় পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ব্যাংকক থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
হর্ষবর্ধন সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার মধ্যদিয়ে হাইকমিশনার হিসেবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।
ভারতের সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশ হওয়ায় শ্রিংলার এই নিয়োগের সিদ্ধান্তটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে শ্রিংলার সুনাম ও অভিজ্ঞতার কারণেই তাকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা যায়।
ভারতের পররাষ্ট্র সার্ভিসে পেশাদার কূটনীতিক হর্ষবর্ধন শ্রিংলার রেকর্ড ঈর্ষণীয়। অল ইন্ডিয়া সিভিল সার্ভিসে ১৫তম স্থান অর্জনকারী শ্রিংলা পররাষ্ট্র সার্ভিস ও বিদেশি ভাষা হিসেবে ফরাসিকে বেছে নিয়েছিলেন। মাত্র ২৭ বছরেই ভারতের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ কনসাল জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়ে তিনি আশির দশকের শেষের ও নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন ও রূপান্তরের সময় ভিয়েতনামের হ্যানয় ও হো চি মিন সিটি উভয় স্থানেই দায়িত্ব পালন করেন।
হর্ষবর্ধন চার বছরের বেশি সময় তিনি জাতিসংঘে ভারতীয় স্থায়ী মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সত্যিকারের সামর্থ্যের পরীক্ষা দিয়েছেন ২০১১ থেকে ২০১৪ সালে প্রতিবেশী বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কবিষয়ক যুগ্ম সচিব (বিএসএমএম বিভাগের প্রধান) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে। বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত তিনি থাইল্যান্ডে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।