কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার টনকী ইউনিয়নের চৈনপুর গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৭ মাসের অন্তঃসত্তা করেছেন সফিক মিয়া (২৫)। ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকের বাবা কনু মিয়াকে (৫৫) বুধবার বিকালে মুরাদনগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
মেয়েটির মা বাদি হয়ে গত বুধবার নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মুরাদনগর থানায় একটি মামলা করেন। সফিক উপজেলার চৈনপুর গ্রামের কনু মিয়ার ছেলে।
ধর্ষিতার মা বলেন, 'আমার মেয়ে পড়া লেখায় ভালো।আমি গরিব হওয়ায় লেখা পড়ার ব্যয় বহন করতে কষ্ট হতো। এই কারণে সে নানির বাড়িতে থেকে নানিকে দেখার শুনার পাশাপাশি পড়ালেখা করতো। গত দু’মাস আগে মেয়ে আমার অসুস্থ্- এমন খবরে বাবার বাড়ি ছুটে যাই। মেয়েকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার জানান, সে অন্তঃসত্তা। পরে মেডিকেল চেকাপ করে জানলাম, সে ৫ মাসের অন্তঃসত্তা। মেয়ের মুখ থেকে সব শুনে ছেলের বাবাকে বিষয়টি জানাই। পরে গ্রামের সর্দ্দারকে বিষয়টি জানাই। তারা একটি সমাধান করে দিবে বলে জানান। কিন্তু দু’মাস গত হয়ে গেলেও কেই এই বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলে না তারা। গত কয়েক দিন আগে জানতে পারি, ছেলে বিদেশে চলে গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে বুধবার মুরাদনগর থানায় একটি অভিযোগ করি।'
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, স্কুল ছাত্রীর মায়ের কাছে এই ঘটনা শুনে সরেজমিনে গিয়ে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাই। পরে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মেয়ের মা বাদি হয়ে মামলা করলে ছেলের বাবাকে গ্রেফতার করি। মেয়ের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রথম আসামি সফিক পলাকত রয়েছেন।