ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলা ও ছাত্র হত্যার ঘটনায় মাদ্রাসার পক্ষে মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মুফতি সামসুল হক বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ৪/৫শ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে সংঘর্ষের ঘটনায় হাফেজ মো. মাসুদুর রহমান (২০) নামে ওই মাদ্রাসার ছাত্র আহত হয়। পরে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে ভোরে তার মৃত্যু হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে ওই হামলা-ভাংচুরের ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে জেলা সচেতন আলেম সমাজ। শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় ওলামা সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মহাসচিব হাফেজ মাও. আতাউর রহমান আতিকী, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসেন প্রমূখ। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা সম্প্র্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ঘটে যাওয়া তাণ্ডবের নিন্দা জানান। তারা শুক্রবার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় কর্তৃপক্ষের সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্যকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য র.আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনকে নগদ এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা শনিবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।