বিরামপুর জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে পেশাজীবী ঐক্য পরিষদের আহবানে বিরামপুরে অর্ধদিবস ধর্মঘট ও গণজামায়েত কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ধর্মঘট কালে বিরামপুর শহরের উপর দিয়ে চলমান ঢাকা-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বিরামপুর শহরের দু’পাশে কয়েকশত যানবাহন আটকা পড়ে।
শহরের দোকান পাট বন্ধ রেখে কয়েক হাজার মানুষ স্বতস্ফুর্ত ভাবে স্থানীয় ঢাকা মোড়ে গণজামায়েতে শামিল হয়। স্কুল কলেজের ক্লাশ বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে।
পেশাজীবী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে গণজামায়েতে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক, উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ কবীর ও দিনাজপুর দক্ষিণ অঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম নেতা ফিরোজ কবীর।
আরও বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, জেলা বাস্তবায়ন আন্দোলনের রূপকার অ্যাডভোকেট মওলা বক্স, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কমর সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ন্যাপ সভাপতি আ. আজিজ সরকার, ড. মুহাদ্দিস এনামুল হক, ইমাম সমিতির সভাপতি আনিছুর রহমান, শ্রমিক নেতা শাহ আলম বিশ্বাস, পৌর কাউন্সিলর শওকত আলী, জোবাইদুল হক জুয়েল, অধ্যক্ষ ডিগ্রি কলেজের ফরহাদ হোসেন, বিএম কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আরমান আলী, আদর্শ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান, আল মারূফ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোবারক আলী, ডিভির পরিচালক মারশেদ মানিক কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির নেতা শাহ নেওয়াজ কবির হিরো, নিউজ ডায়েরির সম্পাদক মাহমুদুল হক মানিক এবং নবাবগঞ্জ ও হাকিমপুর উপজেলার নেতারা।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘ তিন যুগ ধরে বিরামপুর জেলার আন্দোলন চলে আসছে। ইতিমধ্যে বিরামপুরে উপ-কারাগার, বন গবেষণা কেন্দ্র, আঞ্চলিক সার গুদাম ও ফরেষ্ট অফিস এবং ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। বিপুল সম্ভাবনার বিরামপুরে জেলা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা আন্দোলন বেগবান করছেন।