ফেব্রুয়ারি থেকে মোবাইলেই হবে শেয়ার লেনদেন

 
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মতিন পাটোয়ারি বলেছেন, ‘আসছে ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে মোবাইল অ্যাপস চালু করবে ডিএসই। এজন্য গত মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে। মোবাইলে লেনদেন চালুর উদ্দেশেই সিস্টেম অ্যাপের আপডেট করা হয়েছে। এ মোবাইল অ্যাস চালু করার পর বিনিয়োগকারীরা মোবাইলেই শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন।’
 
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর পরিচালক এম. কায়কোবাদ, রুহুল আমিন, খাজা গোলাম রসুল, মো. শাহজাহান, শরিফ আনোয়ার হোসেন, ড. আবুল হাশেম প্রমুখ।
 
ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডি বলেন, এ সিস্টেম চালু করতে গিয়ে গত বুধবার একটি সাইলোতে সমস্যার হয়। এতে ২৯টি  ব্রোকারেজ হাউজে লেনদেনে ত্রুটি দেখা দেয়। তবে ট্রেডিং সিস্টেমে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ খুঁজে বের করতে পারেনি ডিএসই। ত্রুটির মূল কারণ এখনও তদন্ত করা হচ্ছে। তবে লেনদেন বিঘ্নের কারণে ডিএসইর পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের এখানে যে সিস্টেমে ট্রেডিং করা হচ্ছে পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে একই সিস্টেমে ট্রেডিং করা হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
 
পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ ঝুঁকিকে জুয়া হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয় বলে মনে করেন ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী। রিজভী বলেন, তথ্য প্রমাণ ছাড়া কথা বললে বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনিয়ম থাকলে সেগুলোকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। বিনিয়োগে ঝুঁকি থাকবে তাই বলে এ ঝুঁকিকে জুয়া হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত না। পুঁজিবাজারের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শাকিল রিজভী বলেন, আস্থা আছে কি না নেই- তা কি দিয়ে মাপব। বাজারে মূলধন বাড়ছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা বাড়ছে, আস্থা না থাকলে এমন হতো না। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ সম্মেলনে একাধিক অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে জুয়া ও গুজব নির্ভর বলে অভিহিত করেন। এ প্রেক্ষিতে ডিএসই এসব কথা জানিয়েছে।
 

সাংবাদিক সম্মেলনে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডি আবদুল মতিন পাটোয়ারি বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ে কিছু নেতিবাচক মন্তব্যের কারণে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এর কারণে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গত ৩ বছরে বাজারে মূলধন বেড়েছে ৩১ শতাংশ, তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা বেড়েছে ১৮ শতাংশ। অতএব পুঁজিবাজারে যে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হচ্ছে না এ কথাটি বিভ্রান্তিমূলক।