ভ্যাট কমিয়ে ৭ শতাংশ চায় এফবিসিসিআই

জনসাধারণের ওপর আরোপিত মুল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) বোঝা কমিয়ে ৭ শতাংশে নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।
 
সোমবার রাজধানীতে নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে এক সেমিনারে সংগঠনটির সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ এ দাবি জানান।
 
তিনি বলেন, ১৫ শতাংশ ভ্যাট অনেক বেশি, এটা জনসাধারণকে দিতে হয়; ব্যবসায়ীরা সংগ্রহ করে মাত্র। মালয়েশিয়াতে ৬ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট নেয়া হয়। বাংলাদেশ ইউরোপ, মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ড হয়ে যায়নি। তাহলে বাংলাদেশে ১৫ শতাংশ ভ্যাট হওয়ার যুক্তি কি? ভ্যাট আদায়ে অনলাইন ব্যবস্থা চালুর দিন থেকে ভ্যাট কমিয়ে ৭ শতাংশ হারে আদায়ের প্রস্তাব করেন তিনি।
 
নতুন ভ্যাট আইন অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে অনলাইনে ভ্যাট আদায় শুরু হবে। ২০১২ প্রণীত আইনটি চলতি অর্থবছর থেকে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও প্রস্তুতির অভাবে তা সম্ভব হয়নি। এই আইনে সব ধরনের ভ্যাট ১৫ শতাংশ হারে আদায় করার কথা বলা হয়েছে। বর্তমানেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট নিয়ে থাকে সরকার। তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে ৪ ও ৫ শতাংশ হারে এবং প্যাকেজ ভ্যাটও নেয়া হয়।
 
ভ্যাট আদায় ব্যবস্থা সহজ করার প্রস্তাব দিয়ে ব্যবসায়ী নেতা মাতলুব বলেন, পাঁচ মাস পরে অনলাইনে ভ্যাট আদায় হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা এজন্য প্রস্তুত না। অনেকে বিষয়টি পরিষ্কার করে বোঝেও না। এজন্য ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ দেয়া দরকার। আমরা এক টাকার কর দিতে গিয়ে তিন টাকার হয়রানি চাই না।
অনলাইন ভ্যাট সংগ্রহ পদ্ধতি বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে এনবিআর যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।
 
কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান ।