এক ঘণ্টা পর রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

ব্যবসায়ী তরুন দত্তের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বুধবার সকাল ১১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখে  উপজেলা বণিক সমিতি, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। 
 
এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। দুপুর ১২টায় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের আশ্বাসে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করে। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
 
উপজেলা বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন জুয়েল জানান, খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত ব্যবসায়ী তরুন দত্তের বাড়ির পাশে গোবিন্দগঞ্জ পৌরবাজারের ডাচ বাংলা ব্যাংকের সামনে বুধবার সকাল ১১টার দিকে মহাসড়ক অবরোধ করা রাখা হয়।
 
তিনি আরও জানান, এর আগে একই দাবিতে মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
 
এ সময় বক্তব্য রাখেন, গোবিন্দগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা বণিক সমিতির সভাপতি নাজমুল হক টুকু, উপজেলা বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন জুয়েল প্রমুখ। অবরোধ চলাকালীন ব্যবসায়ী তরুণ দত্তের হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।
 
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, হত্যাকারীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। যত দ্রুত সম্ভব দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করা হবে। এ আশ্বাস প্রদান করলে অবরোধকারীরা তা প্রত্যাহার করে নেয়।
 
উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোরে গোবিন্দগঞ্জ পৌরবাজার এলাকার হীরেন্দ্রনাথ দত্তের ছেলে হর্ডওয়্যার ব্যবসায়ী তরুণ দত্ত প্রাতঃভ্রমনের জন্য বাসা থেকে বের হন। এরপর সকাল ৯টায় পুলিশ খবর পায় গোবিন্দগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ সড়কের বর্ধণকুঠি এলাকায় ব্রিজ সংলগ্ন একটি ডোবার পাশে তরুন দত্তের মাথাবিহীন লাশ পরে আছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মৃতদেহ এবং পাশের ডোবা থেকে বিছিন্ন মাথা উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মিতা দত্ত বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি।