ভালবাসা ও মাতৃভাষা দিবসে ফুলের চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত ফুল চাষিরা

আসছে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস, বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন শার্শা ও ঝিকরগাছার গদখালির ফুলচাষিরা। 
 
শার্শা- গদখালি এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ জুড়ে গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা, হলুদ গাঁদা, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, ফুল মাঠের পর মাঠ ছড়িয়ে আছে। শার্শার উলাশির গ্রামের ফুল চাষি আব্দুল কাদের জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে গোলাপ ও দুই বিঘা জমিতে গ্লাডিওলাস ও রজনীগন্ধা ফুল চাষ করেছেন। 
 
এক বিঘা গোলাপ রোপনে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পযর্ন্ত খরচ হয়। একবার রোপনে ৫/৭ বছর পর্যন্ত ফুল পাওয়া যায়। বর্তমানে গোলাপ তিন টাকা ও গ্লাডিওলাস ৩/৫ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। তবে উপলক্ষের কারণে ফুলের দাম আরো বাড়তে পারে।
 
গদখালির ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা, হরতাল-অবরোধের কারণে ফুলের বাজার মারাত্মক ক্ষতির শিকার হয়েছে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ক্ষেত আর বাজারে পচেছে লাখ লাখ টাকার ফুল। যা  বিক্রি হয়েছে তার ন্যায্য দাম পাইনি।
 
তবে বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও ২১ ফ্রেরুয়ারি ও নববর্ষ উপলক্ষ্যে ভালো বেচাকেনার আশা করছেন তারা। 
 
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিরক কুমার সরকার জানান, শার্শা-গদখালি অঞ্চলের প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক দেড় থেকে দু হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের আবাদ করেছেন।  আমরা নিয়োমিত স্থানীয় ফুল চাষিদের বিভিন্ন রকম পরামর্শ ও সহযোগিতা করে  যাচ্ছি। এ বছর বিভিন্ন জাতের ফুলের চাষ হয়েছে। এবং ফুলের ফলন খুব ভাল হয়েছে। বর্ষ বরণ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শার্শা- গদখালি এলাকার কৃষকরা ১৫/২০ কোটি টাকার ফুল সরবরাহ করবে। গত বছরের মতো অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি নেই। এবারের পরিস্থিতি ভালো।