প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে কিংবদন্তী কুমির মৃত ধলাপাহাড়ের চামড়া গ্রহণ করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলতাফ হোসেন।
গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জনাব মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলতাফ হোসেনের কাছে ঐতিহাসিক ধলাপাহাড়ের চামড়া হস্তান্তর করেন।
জেলা প্রশাসক জনাব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মো. আলতাফ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মো. মামুনুল হাসান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মো. আমিরুজ্জামান, সহকারী পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান জনাব মো. গোলাম ফেরদৌস ও ষাটগম্বুজ মসজিদের ইমাম জনাব মো. হেলাল উদ্দিন মাতাব্বর।
ঐতিহাসিক ধলাপাহাড় বাংলাদেশে টিকে থাকা মিঠা পানির কুমিরের সর্বশেষ প্রজাতি। বিরল প্রজাতির এই ঐতিহাসিক কুমিরটি গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে মারা যায়। এই প্রজাতির কুমির শতশত বছর ধরে খানজাহান (র:) স্মৃতি বিজড়িত জলাশয় ঠাকুরদীঘিতে টিকে থাকে। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মো. আলতাফ হোসেন বলেন, প্রত্নতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে এই ঐতিহাসিক কুমিরটি বিশেষ প্রক্রিয়া সংরক্ষণ করে প্রদর্শন করা হবে।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক কালাপাহাড় নামে খ্যাত আরেকটি কুমির বাগেরহাট জাদুঘরে ২০০৭ সাল থেকে প্রদর্শিত হচ্ছে। যা পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়। প্রতত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় খানজাহান (র:) এর বসতভিটার প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজ পরিদর্শনসহ ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ, খানজাহান (র:) এর প্রাচীন রাস্তা, চুনাখোলা মসজিদের দক্ষিণ এশিয়া অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান সংস্কার, সংরক্ষণ ও বিভিন্ন পূর্ত কাজ পরিদর্শন করেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তি।