সর্দি-কাশি, ছোটোখাটো পোড়া, ঘামের গন্ধ ও পোকামাকড়ের কামড় থেকে জ্বলুনি এমন ধরনের শারীরিক সমস্যার বেলায় মাত্র পাঁচ মিনিট সময় ব্যয় করে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দেখে নেয়া যাক সমস্যাগুলোর সহজ সমাধান।
ফোসকা পড়ার সমস্যা
নতুন জুতো পড়লে কিংবা রান্নার সময় তেল ছিটে পড়লে চামড়ায় ফোসকা পড়তে দেখা যায়। এর জ্বলুনি থেকে রক্ষা পেটে ফোসকা পড়া অংশে টুথপেস্ট লাগিয়ে নিন। এছাড়া হোমিওপ্যাথিক ঔষধ হ্যামোমেল ভারজিনিয়ানা তুলোয় লাগিয়ে দিনে ৪ বার ব্যবহার করলে দ্রুত সেরে উঠবে।
গায়ের দুর্গন্ধ
ঘেমে গেলে অনেকের গায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে মরা কোষে লোমকূপ বন্ধ হয়ে থাকা। তাই গোসলের আগে শুকনো গায়ে বডি ব্রাশ চালিয়ে পুরো দেহের মরা কোষ দূর করে নেয়া ভালো। এবং গোসলের পানিতে কমলা লেবুর খোসা ডুবিয়ে রেখে গোসল করলে গায়ের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
হাতে পায়ের জয়েন্টে ব্যথার সমস্যা
অনেক সময় হাড়ের জয়েন্টগুলোতে প্রচণ্ড রকমের ব্যথা অনুভূত হয়। এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে হোমিওপ্যাথি ঔষধ আরনিকা ব্যবহার করুন। একটি তুলোর বলে এ ওষুধ চুবিয়ে জয়েন্টে বুলিয়ে নিন। ব্যথা দ্রুত দূর হবে।
খুশকির সমস্যা
খুশকি একটি অস্বস্তিকর সমস্যা। এই সমস্যা অনেক সময় লজ্জায় ফেলে দিয়ে থাকে। খুশকির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে চাইলে মাথা ও চুল সব সময় পরিষ্কার রাখা উচিৎ। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহারের পর এক কাপ ভিনেগার মাথার ত্বকে ও চুলে লাগিয়ে নিন ভালো করে। পাঁচ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পাওয়া যাবে।
ঠোঁট ফাটার সমস্যা
অনেকের দেহে পানিশূন্যতার সমস্যা হলে সারাবছরই ঠোঁট ফেটে থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছুক্ষণ পর পর অলিভ অয়েল দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নিলে এ সমস্যার সমাধান সমভাব। এবং দেহকে পানিশূন্যতা থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।
পোকামাকড়ের কামড়
পোকামাকড়ের কামড়ের জ্বলুনি ও অ্যালার্জি থেকে তাৎক্ষণিক রক্ষা পেতে চাইলে এক টুকরো পেঁয়াজ কেটে নিয়ে কামড়ের অংশে ঘষতে হবে। পেঁয়াজের সালফার দ্রুত জ্বলুনি কমিয়ে দেবে ও অ্যালার্জির হাত থেকে রক্ষা করবে।
হেঁচকির সমস্যা
এক গ্লাসে পানি নিয়ে একটি স্ট্র(পাইপ) নিন। এবার দুই হাতের বুড়ো আঙুলের পরের আঙুল দিয়ে দুই কানের নিচে চোয়াল এবং গলার যে জয়েন্ত রয়েছে তাতে চাপ দিয়ে ধরে স্ট্র দিয়ে পানি পান করতে থাকুন। দেখবেন হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।