দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ যুব বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। টুর্নামেন্টে ১৭.৬৬ গড়ে ১২ উইকেট নেন মিরাজ। চারটি অর্ধশতকসহ ৬০.৫০ গড়ে করেন ২৪২ রান।
তৃতীয় স্থানে থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ শেষ করা বাংলাদেশ এবারই প্রথম এই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে খেলে। ১৪ ফেব্রুয়ারি এই মঞ্চেই উঠতে চেয়েছিলেন। হাতে নিতে চেয়েছিলেন ট্রফি। চাওয়া দুটি পূরণ হলো। কিন্তু এত ছোট নয়, মেহেদী মিরাজের স্বপ্ন ছিল আরও বড় ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরার। তবে দলগত অপ্রাপ্তির হতাশা মুছে ফেলে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অধিনায়ক হাসি মুখেই হাতে নিলেন টুর্নামেন্ট সেরার ট্রফি। এও তো কম গর্বের নয়!
২০১৩ সালের এপ্রিলে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে অভিষেক হয় মিরাজের। ৫৬ ম্যাচে ২০.৯০ গড়ে ৮০ উইকেট নিয়ে যুব ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট তারই। পাশাপাশি ২০ গড়ে ১ হাজার ৩০৫ রানও করেন তিনি।
সব মিলিয়ে মিরাজকে বলা যায় অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার। এই টুর্নামেন্ট দিয়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পাঠ চুকিয়ে ফেলা মিরাজের নজর এখন আরও উঁচুতে। পুরস্কার হাতে নিয়ে মিরাজ বলেন, “আমি খুব রোমাঞ্চিত। আমার লক্ষ্য অনেক বড় ছিল, আমি সেরা অলরাউন্ডার হতে চেয়েছিলাম।”
যুব বিশ্বকাপে এটি অবশ্য বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তিগত অর্জন নয়। গত দুটি আসরেই সর্বোচ্চ রান এসেছিল দুই বাংলাদেশি এনামুল হক বিজয় ও সাদমান ইসলামের ব্যাটে।