ইউনূস সেন্টারের আয়োজনে আজ সোমবার গ্রামীণ ব্যাংক অডিটোরিয়ামে ১৮৫তম সামাজিক ব্যবসা ডিজাইন ল্যাব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায় থেকে আগত প্রায় ১৭০ জন অংশগ্রহণকারী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই ছিলেন বিদেশি যারা এসেছিলেন ব্রাজিল এবং লেসোথোসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি উপস্থিত দর্শক ও অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং বলেন যে, জানুয়ারী ২০১৩-এ ল্যাব শুরু হবার পর ১৮৪তম ল্যাব পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৭৮টি প্রকল্প ডিজাইন ল্যাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৩ হাজার ৫৫৩টি প্রকল্প বিনিয়োগের জন্য অনুমোদিত হয়েছে এবং বিনিয়োগের পরিমান এক লাখ থেকে আড়াই লাখ পর্যন্ত।
আজকের ল্যাবে ৬টি নতুন নবীন উদ্যোক্তা ব্যবসা পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত ব্যবসাগুলোর সবই গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা পরিবারের সন্তানদের নবীন উদ্যোক্তা ব্যবসা। উপস্থাপিত ব্যবসাগুলো হচ্ছে- আলামিন মিয়ার ‘আল আমিন ব্যাম্বো ক্রাফট’, হোসনে আরার ‘মৌ বিউটি পার্লার’, মোঃ মনিরুল ইসলামের ‘মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজ’, মোঃ মিঠু আহমদের ‘মাহিম ক্রিকেট ব্যাট’, আবুল কালাম আজাদের ‘মেসার্স রাকিব এন্টারপ্রাইজ’, এবং মোঃ সাগরের ‘মীম বক্স হাউজ’।
IMG0
নবীন উদ্যোক্তারা প্রত্যেকেই প্রকল্প পরিকল্পনা, বাজারজাত পরিকল্পনা ও আত্ম-নির্ভরতা পরিকল্পনা সহ তাদের নিজ নিজ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। এরপর প্রকল্পগুলো নিয়ে দলীয়ভাবে বিশদ আলোচনা হয়। উপস্থাপিত ৬টি প্রকল্পই অর্থায়নের জন্য অনুমোদিত হয়। সামাজিক ব্যবসা প্রকল্পগুলো সোশ্যাল বিজনেস পিডিয়ায় প্রতিবেদনের মাধ্যমে মনিটর করা হবে।
ডিজাইন ল্যাবে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাষ্ট ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (বাসা)এর মধ্যে একটি মধু প্রক্রিয়াজাতকারী সামাজিক ব্যবসা গঠনের লক্ষ্যে একটি জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়। গ্রামীণ টেলিকম ট্রাষ্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভীন মাহমুদ এবং বাসা'র নির্বাহী পরিচালক এ.কে.এম সিরাজুল ইসলাম স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।