খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার সাত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দলীয় কার্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করা হয়। আহতদের মধ্যে দুইজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, একজনকে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ও ৭ জনকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সমর্থিত গ্রুপ নিজেদের পছন্দের লোকদের ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী করার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সমর্থিত গ্রুপের পক্ষে ৩ নম্বর গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও হারুনের ভাইপো হাদীউজ্জামান হাদী এবং ৪ নম্বর সুরখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম ফরিদ রানা এতে বাধা দেয়। তখন দু’ পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের অন্তত ৩০জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে দলীয় কার্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করা হয়।
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন অর রশিদ বলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে মতবিরোধের কারণে দু’ পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুর হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।