যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে বোমাবাজি ও পুলিশের উপর্যুপরি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় গোটা এমএম কলেজ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যশোর এমএম কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর ও পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান। তারা শহীদ বেদি থেকে নেমে যাওয়ার পরপরই শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করতে যায় ছাত্রলীগ। এসময় শহীদ মিনারের উত্তরপাশে একটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এর পরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নারী, পুরুষ ও শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। তবে বোমা বিস্ফোরণ বা গুলিবর্ষণে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর ফুল দিতে আসা বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রেণিপেশার মানুষ ফুল না দিয়েই বাড়ি ফিরে যায়।
ঘটনার পরপরই শহীদ মিনারে থাকা যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন জানান, কারা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায়নি। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।