দলীয় মনোনয়ন পেতে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

 
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও প্রার্থীরা মাঠ গরম করে ফেলেছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
 
ইউপি সদস্য (মেম্বর) পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও এবার দলীয় প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হচ্ছে। পাঁচবিবি উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপেও তফসিল ঘোষণা হয়নি। তারপরেও নির্বাচনী আমেজ গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রার্থী বাছাইয়ের ব্যাপারে সতর্কতার সাথে আওয়ামী লীগ এগুলেও বিএনপি যোগ্য প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। তাদের মতে, যদি বিএনপি স্বজনপ্রীতি, ব্যক্তি আক্রোশসহ অন্য কোন কারণে যোগ্য প্রার্থী না দেয় তাহলে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনতে পারবে না।
 
পাঁচবিবি উপজেলা ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। সীমানা জটিলতার কারণে পৌরসভা নির্বাচন হয়নি। এবারের ইউপি নির্বাচনে ৩৪জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে ২১ জন আওয়ামী লীগের, ১১ জন বিএনপির ও দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
 
ইউপি চেয়ারম্যান পদে উপজেলার বাগজানা ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগের বর্তমান চেয়ারম্যান জামাত আলী, ইউনুস আলী মন্ডল, আফজাল হোসেন (আঙ্গুর), আরিফ হোসেন এবং বিএনপির নাজমুল হক, ধরঞ্জী ইউনিয়ন থেকে  আওয়ামীলীগের গোলাম মোস্তফা, মজনুর রহমান এবং বিএনপির আবু নছর চৌধুরী (ফরহাদ), অ্যাডভোকেট মাফিজুল ইসলাম সরকার, আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল আলম  (বেনু), মামুনুর রশিদ (মিল্টন) এবং বিএনপির নুরুল আমিন নওশাদ, বালিঘাটা ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান চৌধুরী (বিপ্লব), মিজানুর রহমান, মীর রেজাউল করিম, বিএনপির সোহরাব আকন্দ, স্বতন্ত্র আবু তালেব চৌধুরী (বাবু), আটাপুর ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের আব্বাস আলী সরকার এবং বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সালেহ মোঃ সামছুল আরেফিন (আবু চৌধুরী), প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যক্ষ নওশাদ আলী,  মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হবিবর রহমান, সোরাব হোসেন, আলম হোসেন সরকার (চঞ্চল), লুত্ফর রহমান এবং বিএনপির জাহিদুল আলম সরকার, কুসুম্বা ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগের মুক্তার হোসেন মন্ডল, আব্দুর রহমান মন্ডল, জিহাদ মন্ডল, বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর মন্ডল ও আওলাই ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগের বর্তমার চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী (তাওহীদ), রেজাউল করিম তৌফিক, বিএনপির আব্দুর রাজ্জাক হোসেন এবং স্বতন্ত্র আব্দুল বারী মন্ডল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।