চট্টগ্রামে আরেকটি কন্টেইনার টার্মিনাল হচ্ছে

 
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) নামে নতুন একটি টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চট্টগ্রাম ড্রাইডক থেকে মেরিন একাডেমি ঘাট পর্যন্ত এলাকা নিয়ে এই পিসিটি নির্মিত হবে। গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম বন্দরের বোর্ড সভায় পিসিটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
 
পিসিটি নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পরিবহন জরিপ, পূর্ণাঙ্গ ড্রইং-ডিজাইনসহ প্রাক্কলন ব্যয় প্রণয়নের জন্য ইতোমধ্যেই বিআরটিসি এবং বুয়েটকে পরামর্শক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
 
চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (অ্যাডমিন এন্ড প্ল্যানিং) মোঃ জাফর আলম ইত্তেফাককে জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পিসিটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
 
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং প্রতিবছর প্রায় ৭ ভাগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৩০ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করতে হবে। গত বছরই ২০ লক্ষাধিক কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। কিন্তু এ পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা নিয়ে বন্দরের সংশ্লিষ্টরা সংশয় প্রকাশ করেছে। কারণ, বন্দরের জাহাজ ভেড়ানোর বার্থসহ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর অবকাঠামো সুবিধা নেই।
 
এদিকে সম্প্রতি জার্মানির হামবুর্গ পোর্ট কনসালট্যান্ট (এইচপিসি) চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ৩০ বছর মেয়াদী কৌশলগত মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে। তাতে পিসিটি’র কথা উল্লেখ না থাকলেও কর্ণফুলী কন্টেইনার টার্মিনাল (কেসিটি), বে-টার্মিনাল ও লালদিয়া টার্মিনাল দ্রুত নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু স্বল্প সময়ে এর কোনোটিই নির্মাণ করা সম্ভব নয়।
 

চট্টগ্রাম ড্রাইডক থেকে মেরিন একাডেমি পর্যন্ত প্রায় ২৭ একর জায়গা বন্দরের। ওই জায়গায় এখন একটি বেসরকারি কোম্পানির তেল মজুদ রয়েছে এবং দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হবে।