মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রবিবার ছিল দাখিল শ্রেনীর বাংলা ২য় পত্রের পরীক্ষা। এ দিন কুষ্টিয়া মিরপুরের সুলতানপুর মাদ্রাসা কেন্দ্রে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে নানা নাটকীয়তা শেষে ১৫ মিনিট দেরীতে পরীক্ষা শুরু হয়।
জানা যায়, উল্লেখিত পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্তদের গাফিলতিতে থানায় রক্ষিত মালখানা থেকে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে যথাসময়ে আনা হলেও এমসিকিউ (নৈর্বিত্তিক) প্রশ্নপত্র ছিল অনুপস্থিত। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নের প্যাকেট খোলার সময় কর্তৃপক্ষের খেয়াল হয় প্যাকেটে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থাকলেও এমসিকিউ প্রশ্নপত্র নেই। তখন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কিংকর্তব্যবিমুড় হয়ে বোর্ডের নীতিমালা ভেঙ্গে পরীক্ষার্থীদের হাতে শুরুতেই লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা শুরু করে। বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে এমসিকিউ পরে লিখিত পরীক্ষা নিতে হবে।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কর্ণগোচর হলে তিনি তাৎক্ষনিক কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভর্ৎসনা করে সকল পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র ফেরত নেন। তারপর থানা থেকে এমসিকিউ প্রশ্নপত্র এনে পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এতে করে পরিক্ষার্থীদের কমপক্ষে ১৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অন্যতম হল সুপার মাওলানা মহিউদ্দিন ইত্তেফাককে জানান, বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা যথানিয়মে থানা থেকে ‘খ’ সেটের প্রশ্নপত্র এনে পরীক্ষা শুরুর সময় দেখি প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে এমসিকিউ নেই। পরে থানায় গিয়ে ‘ক’ সেটের প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে দেখতে পাই ‘খ’ সেটের এমসিকিউ প্রশ্নপত্র সেখানে রয়েছে। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এতে আমাদের কিছু করার ছিল না।