পুঁজিবাজারে ফের লেনদেন কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন তিনশ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। অথচ এর আগে প্রায় দুই সপ্তাহ বাজারে ভালো লেনদেন হয়েছে। এসময় ডিএসইর লেনদেন হয়েছে চারশ কোটি টাকার বেশি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে লেনদেন কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে। কারণ এরই মধ্যে বাজারে সূচকও সাড়ে চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে এসেছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।
গত সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক কিছুটা বাড়লেও সপ্তাহ শেষে লেনদেন কমেছে ২৮ দশমিক ২ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩২৩ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৪৪৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গেল সপ্তাহে শেয়ারবাজারে দর বৃদ্ধিতে স্বল্প ও মাঝারি বাজার মূলধনের কোম্পানিগুলো তুলনামূলক এগিয়ে ছিল। আগের সপ্তাহে দিনে গড়ে ১২ কোটি ৩৮ লাখ শেয়ার হাতবদল হলেও গেল সপ্তাহে তা ৯ কোটি ২৫ লাখ ১৭ হাজারের ঘরে নেমে আসে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ১৬৩টি শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১২৪টির বাজারদর। অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টির এবং কোনো লেনদেন হয়নি পাঁচটি সিকিউরিটিজের। গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাত। এ সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল প্রকৌশল খাতের। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। লেনদেনে এ খাতের অবদান ছিল ১৩ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। ডিএসইর মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ২ শতাংশ ছিল এ খাতের অবদান। চতুর্থ অবস্থানে ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। ডিএসইর মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে এ খাতের শেয়ারে।