মেঘনাঘাটে বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণ করবে সামিট ও জিই

নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ঘাটে ৫৮৩ মেগাওয়াট (ডুয়েল ফুয়েল) বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্র স্থাপন করবে সামিট ও জেনারেল ইলেক্ট্রিক (জিই)। এই লক্ষ্যে ক্রয় চুক্তিসহ (পিপিএ) পাঁচটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এই কনসোর্টিয়াম।

গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুত্ ভবনে পিডিবির সঙ্গে ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) ও ভূমি ইজারা চুক্তি (এলএলও), তিতাস গ্যাসের সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ চুক্তি (জিএসএ), বিপিসির সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ চুক্তি (এফএসএ) এবং পিজিসিবির সঙ্গে বাস্তবায়ন চুক্তি (আইএ) সই করা হয়। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কর্মকর্তারা এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

২২ বছর মেয়াদি এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি গ্যাস, এলএনজি অথবা ডিজেল দিয়ে পরিচালিত হবে। গ্যাসে চালানো হলে প্রতি ইউনিট দুই দশমিক ৯৫ টাকা, এলএনজি হলে পাঁচ দশমিক ৪৪ টাকা ও ডিজেলে ১২ দশমিক ৬০ টাকা দর ধরা হয়েছে। ২০২২ সালে উত্পাদনে আসার কথা রয়েছে এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রটির। কনসোর্টিয়ামে সামিট গ্রুপের শেয়ার রয়েছে ৮০ শতাংশ অন্যদিকে আমেরিকান কোম্পানি জিই এর শেয়ারের পরিমাণ ২০ শতাংশ।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, দশ বছর আগে বিশ্বব্যাংক বলেছিল, অন্ধকার দূর করতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করছে। এখন সময় বদলে গেছে, এক সময় অনেকে বিদ্যুত্ খাতের সমালোচনা করতো। এখন আর সমালোচনা নেই।

বিদ্যুত্ বিভাগের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, সর্বশেষ বছরটি বিদ্যুত্ খাতের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য ছিল। এই বছরে চার হাজার ২৬ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুত্ যুক্ত হয়েছে গ্রিডে। এর মধ্যে ৫৬ শতাংশ এসেছে বেসরকারি খাত থেকে।

আমেরিকান রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর মিলার বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রয়েছে। খুব শিগগিরই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ খান, জ্বালানি বিভাগের সচিব আবু হেনা রহমাতুল মুনিম, জিই গ্যাস পাওয়ারের চেয়ারম্যান জন রাইস।